হা’য়রে মা’নুষ কেমনে পা’রলো এই কাজ করতে! স্বা’মী বাসায় না থাকায় নিজের আ’পন…See more

এমনকি রাতের খাবারের চালটুকুও বাড়ন্ত। স্বামীর এমন অসহায় অবস্থা দেখে মালিহা নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি। সে রাশেদকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। সে রাশেদের বুকে মাথা রেখে বলতে থাকে, “তুমি এভাবে ভেঙে পড়লে আমাদের কী হবে? এই অবুঝ সন্তানকে নিয়ে আমি কোথায় দাঁড়াবো?

“কষ্টের মুহূর্ত: রাশেদ নিজেও অসুস্থ শরীরে চোখ দিয়ে জল ফেলছিল কিন্তু স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা তার জানা ছিল না। ঠিক তখনই নিচে বসা তাদের ছোট্ট সন্তান আরিয়ান ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে দেখছিল। সে বুঝতে পারছিল না তার বাবা-মা কেন কাঁদছে, কিন্তু বাবা-মার চোখের জল দেখে তার ছোট্ট মনেও এক অজানা ভয়ের সৃষ্টি হয়েছিল।

এই গল্পটি একটি মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবারের কঠিন জীবনসংগ্রাম এবং তাদের ভেতরের নীরব কষ্টের এক গল্প☝️☝️✅✅✅

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *